ইউরোপ। যান নিরাপদে
worktoeurope.com
ফ্রি যোগ্যতা যাচাই
৫টি দেশ · ওয়ার্ক ভিসা · রেসিডেন্স পারমিট · বৈধ পথে

ইউরোপে যান।
যান নিরাপদে।

পর্তুগাল, সার্বিয়া, স্লোভাকিয়া, বেলারুশ ও ইউক্রেনের ওয়ার্ক ভিসা ও রেসিডেন্স পারমিটে সহায়তা। প্রতিটি ধাপ লিখিত। প্রতিটি টাকার রসিদ। প্রতিটি কাগজ আপনার নিজের হাতে।

আমাদের সাথে কথা বলতে কোনো টাকা লাগে না। ফাইল খোলার আগেও কোনো টাকা নয়।

ভোরের দিকে পশ্চিমে উড়ে চলা একটি উড়োজাহাজ — ঢাকা থেকে ইউরোপের যাত্রা।
যাত্রা শুরু ঢাকা → ইউরোপ। ওয়ার্ক ভিসায়। নিজের নামে।
চালু রুট DAC · LIS · BEG · BTS · MSQ · IEV
লাইভ · চলতি ডিমান্ড লেটারে অবশিষ্ট পদ

ঢাকা থেকে ইউরোপের পাঁচ শহরে।

এখানে “আসন” মানে নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার স্বাক্ষরিত ডিমান্ড লেটারের একটি প্রকৃত পদ। একটি পূরণ হলে সংখ্যাটি কমে। আমাদের কাছে ডিমান্ড লেটার দেখতে চান — আমরা দেখাব।

এখন খোলা

পাঁচটি দেশ। প্রকৃত নিয়োগকর্তা। লিখিত চুক্তি।

প্রতিটির পেছনে আছে নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তা ও অনুমোদিত ওয়ার্ক পারমিট। কোনো দেশ এই তালিকায় না থাকলে আমরা সরাসরি বলে দেব — আমরা বানানো সুযোগ দেখাই না।

বিস্তারিত দেখতে চিহ্নিত দেশে ট্যাপ করুন।

বেতন ও সময়সীমা আনুমানিক — নিয়োগকর্তা, খাত ও দূতাবাসের উপর নির্ভর করে। কোনো টাকা দেওয়ার আগেই সঠিক অঙ্ক আপনার লিখিত চুক্তিতে উল্লেখ থাকবে।

রেসিডেন্স পারমিট

ভিসা আপনাকে ঢোকায়। পারমিট আপনাকে থাকতে দেয়।

ওয়ার্ক ভিসা কেবল দরজা। পৌঁছানোর পর যে রেসিডেন্স পারমিট আপনি পান — এবং তার পরের নবায়নগুলো — সেটাই আপনাকে বৈধ রাখে, বেতন নিশ্চিত করে এবং পরে পরিবার আনার সুযোগ দেয়। আমাদের তিনটি দেশে এই পুরো অংশে আমরা আপনার সাথে থাকি।

ভিসা → প্রথম পারমিট → নবায়ন। তিনটিই আমরা করি।

নিরাপদ পথ

সাতটি ধাপ। প্রতিটি টাকা কীসের জন্য, আপনি জানবেন।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো যাত্রা — ক্রমানুসারে। কোন ধাপে কত টাকা, আর তার বদলে আপনি কী পাচ্ছেন। যেকোনো এজেন্সির কাছে এই তালিকাটি চেয়ে দেখুন। দিতে না পারলে সেখান থেকে চলে আসুন।

আপনি যা পাচ্ছেন

ছয়টি প্রতিশ্রুতি — লিখিতভাবে।

এগুলো স্লোগান নয়। প্রতিটি আপনার সাথে করা চুক্তির একেকটি ধারা।

সেবা

আপনার গ্রাম থেকে কর্মস্থল পর্যন্ত।

নিজেকে বাঁচান

চারটি কাজ আমরা কখনোই করি না।

কেউ যদি এর কোনোটি করে — এমনকি নিজেকে আমাদের কোম্পানির লোক দাবি করলেও — সাথে সাথে থেমে যান এবং আমাদের মেইল করুন।

প্রশ্ন

যে প্রশ্নগুলো মানুষ প্রথমেই করে।

যোগাযোগ

অফিসে আসুন। অথবা লিখুন।

আপনার পাসপোর্ট ও হাতে থাকা কাগজপত্র নিয়ে আসুন। প্রথম সাক্ষাতে কোনো খরচ নেই।

প্রধান কার্যালয়

London — United Kingdom

৫ এস মলটন লেন, লন্ডন, যুক্তরাজ্য
কান্ট্রি অফিস

নারায়ণগঞ্জ — বাংলাদেশ

ব্রাদার্স ম্যানশন, মাসদাইর, নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ · শনি–বৃহস্পতি, সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৬টা

এটি আপনার ইমেইল অ্যাপ খুলবে এবং তথ্যগুলো contact@worktoeurope.com ঠিকানায় বসানো থাকবে। আমরা ২ কর্মদিবসের মধ্যে উত্তর দিই। এই ফর্মে আমরা কখনো টাকা চাই না।